দেশের গান, সবুজ পাতার ভীড়ে কেন যে পলাশ হলো লাল

 


দেশের গান


সবুজ পাতার ভীড়ে কেনোযে পলাশ হলো লাল

শিমুলের ফুলে কেনো লাগলো এ রঙ-

তুমি জানো কি

হে নবীন তুমি জানো কি? ।।


মায়ের মুখের সুরে তোমায় ডাকি

সেইনা সুরে ডাকে হাজার পাখি।

আমাদের কন্ঠে কীকরে এলো এই গান

তুমি জানো কি?

হে নবীন তুমি জানো কি? ।।


ভাইয়ের ভাষায় বলি 'ভালবাসি'

এমাটির ফুলে ফলে ভাইয়ের হাসি।

আমাদের সূর্যে কে দিলো এতো লাল প্রাণ

তুমি জানো কি?

হে নবীন তুমি জানো কি? ।।


গীতিকার- মো. রহমত উল্লাহ্‌

(গানটি গাইতে পারেন শিল্পী বন্ধুরা।)

গজল- আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ

গজল- আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ
গজল- আল্লাহ, আল্লাহ, আল্লাহ

গীতিকার- মোহাম্মদ আলী

আল্লাহ নামের মধুর পেয়ালা যেজন পিয়াছে

পিপাসা শুধু তাহার বেড়েই চলেছে।

একাগ্র চিত্তে যারা এই নাম জপেছে।

ক্ষুধা তৃষনা তাদের ছেড়ে চলে গিয়েছে।

এই নামের গুনে আকাশ পথে উঠতে পারে

দেশ হতে দেশান্তরে ছুটতে পারে।

এই নামে পাপিয়া ডাকে কুহু কুহু

এই নাম আওলিয়া জপে আল্লাহু আল্লাহু

এই নাম সুধার পেয়ালা যেজন পিয়াছে।

ইহকালে এই নামের পাগল হইবে যে জন,

পরকালে পাইবে সে বেহেস্ত রতন।

গান- প্রতিষ্ঠান গড়া

গান- প্রতিষ্ঠান গড়া
গান- প্রতিষ্ঠান গড়া

গীতিকার- মোহাম্মদ আলী

স্কুল কলেজ আর যত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

গড়ে তোলে দেশের যারা ধনি মহত প্রাণ।

শিক্ষা পেলে সভ্য হয় দেশের নর নারী

তাড়াতাড়ি আসেন ভাই বোনেরা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ি।

শিক্ষা পেলে ভদ্র হয়, নম্র হয়, আর হয় ধর্মভীরু

মনুষত্ব অর্জনের শিক্ষাই চাবিকাঠি শুরু।

চটকলে চট হয়, জুতার কলে হয় জুতা

মানুষ হওয়ার প্রতিষ্ঠানে হয় না কেন তা?

বিএ, এমএ পাশ করলে সৎ মানুষ হয় না

আর্ট করতে পারলেই তারে শিক্ষিত বলা যায় না।

চালকের দোষ না মেকারের দোষ?

একটু চিন্তা করে সবে দেখুন।

ধর্মপ্রাণ চালক ছাড়া হয় না সৎজন। ঐ

গজল- প্রভু দয়াময়

গজল- প্রভু দয়াময়
গজল- প্রভু দয়াময়

গীতিকার- মোহাম্মদ আলী

এই দেহের মালিক প্রভু দয়াময়

প্রভু, তুমি যদি দয়া কর আমার কিসের ভয়?

মাটির মানুষ বানাইয়া

শয়তানরে দিলা পাশে দাঁড় করাইয়া।

স্রোতের উলটা গুন টানিতে

আমায় তুমি আদেশ দিলা। ঐ

চলার পথে আবর্জনা, দাম আর কচুরিপানা;

চলতেতো আর পারি নাকো বড় কষ্ট হয়। প্রভু দয়াময়। ঐ

রহমান, রহিম নাম নিয়া

দিলাম নৌকা ছাড়িয়া

কী করবে শয়তান দাড় টানিয়া?

আমার প্রভু যদি কান্ডারি হয়। ঐ

নৌকা আমার পারে যাবে এই ভরসা হয়

নবীর নামের দুরদ যদি আমার দিলে রয়। ঐ

গজল- সোনার পাখি

গজল- সোনার পাখি
গজল- সোনার পাখি

গীতিকার- মোহাম্মদ আলী

দেখবি যদি আয়রে মনা, দেখবি যদি আয়

সোনার পাখি বিরাজ করে দেহ পিঞ্জিরায়। ঐ

কোন পথ দিয়া আসে পাখি, কোন পথ দিয়া যায়

জ্ঞানীরা বুঝতে পারে, মূর্খে টের না পায়। ঐ

পাখির পথে আসে পাখি, পাখির পথে যায়

শত চেষ্টা করেও তারে ধরা নাহি যায়। ঐ

গোসত পোলাও দুগ্ধ কলা দিয়া তারে যতই পোষা যায়

পোষ মানে না অচিন পাখি, তবু পোষতে হয় সবায়। ঐ

যেদিন এই নিঠুর পাখি করবে শূন্যে উড়া

শূন্য খাঁচা পড়ে থাকবে, আসবে না আর ফিরা। ঐ

পাখি আছে খাঁচার আদর সকলেই করে

পাখি ছাড়া শূন্য খাঁচা দেখলে ভয় করে। ঐ

এমন পাখির খাঁচা নিয়া কিসের বাহাদুরি?

দুদিন পরে যা মাটির সাথে করবে গড়াগড়ি। ঐ

 

গজল- কৃতজ্ঞতা

গজল- কৃতজ্ঞতা
গজল- কৃতজ্ঞতা

গীতিকার- মোহাম্মদ আলী

প্রভু, আমার ডাক পৌঁছে না

ডাক পৌঁছিলে সাড়া দিতা

আমিতো তোমার পর না।

ডাকের নামে ভাঁওতাবাজি

তাইতো তুমি শোন না।

প্রভু, আমার ডাক পৌঁছে না।

ডাকার মত ডাকতে পারলে

কে বলে তুমি শোন না? ঐ

এক, ডেকেছিল ইউসুফ নবী

পুস্কার পেল মিসরের বাদশাহি।

ইব্রাহীম নবীর ডাকের গুনে

নমরুদের আগুনেও পুড়ে না। ঐ

হস্ত পদ চক্ষু কর্ন বিবেক বুদ্ধি করলা দান

না চাহিতে সবই দিলা

(ভারজার প্রেমে বান্ধি না)

কৃতজ্ঞতার অভাব হেতু তোমায় পাইলাম না। ঐ

 

গজল- আজরাইলের ডাক

গজল- আজরাইলের ডাক
গজল- আজরাইলের ডাক

গীতিকার- মোহাম্মদ আলী

তুমি জাননি রে, তুমি কোন দেশের নাইয়া

রঙের তরী সাজাইয়া, চলছ এত ব্যস্ত হইয়া।

আমার হাতে তোমার পরোয়ানা-

যাওরে তুমি লইয়া। ঐ

নৌকাতে পাল তুলিয়া বসে আছো হাল ধরিয়া

ভাবছো মনো, একটানে যাইবা পার হইয়া।

সেই পালের টানে সাধের নৌকা গেল রে তলাইয়া। ঐ

এই পরোয়ানা পাইয়া

কত রাজা মহাজন তরী করল সৃজন।

পারি দিতে পারলো না রে এই পরোয়ানা পাইয়া। ঐ

বেহেস্ত বানাইল সাদ্দাম, পুরিল না আশা

এই পরোয়ানা পাইয়া। ঐ

গজল- রোজহাসরে

গজল- রোজহাসরে
গজল- রোজহাসরে

গীতিকার- মোহাম্মাদ আলী

রোজহাসরে বিচারপতি বসিবে যখন

ঝররা ঝররা হিসাব লবে, হবে না বেশকম তখন।

বিচারপতির আদেশ ধরো

ফরজ ওয়াজিব পালন করো

আর সুন্নতের উকিল বায়না করো

খালাস পাইলে পাইতে পারো। ঐ

হাসরের ঐ কঠিন দিনে

চলবে না রে উকিল বিনে

উকিলের নাম ভুল হইলে

সব হবে তোর আমল ভুল।

মক্কা কাননের ফুল

মোহাম্মাদ রসুল, মোহাম্মদ রসুল। ঐ

ধনের গরব, মিল ফেক্টোরি

উচ্চ শিক্ষার বাহাদুরি

চলবে না রে সেই পুরী।

ভেবে দেখনা, সুন্নত ছাড়া টাকা দিয়া

সেই উকিলের বায়না হয় না। ঐ

গজল- আমি এখন বন্দি কবরে

গজল- আমি এখন বন্দি কবরে
গজল- বন্দি কবরে

গীতিকার- মোহাম্মদ আলী

আমি এখন বন্দি কবরে।

স্ত্রী পুত্র আত্মীয়রা সংগে নাই মোর কেউ রে, আমি একা বন্দি কবরে।

ষাট সত্তর খেলাঘরে খেলেছিলাম নেশায় পড়ে

হঠাত আজরাইল এসে বন্দি করে নিয়ে এলো মোরে। ঐ

সঙ্গীরা সব খেলায় মত্ত, পরের কাজে আছে ব্যস্ত

নিজের কাজে উদাস মনা, ধর্ম-কর্মে সময় পায় না। ঐ

হায়রে, আমার কথা কেউ ভাবে না, যারা ছিল আপন জনা;

ডাকলে শুনে না, হায়রে ডাকলে কেউতো শুনে না।

আমি পাপি গুনাহগার বন্দি একজনা। ঐ

কবর হইতে উঠাইয়া আমারে যে যাবে নিয়া

ঝররা ঝররা হিসাব করে জেলখানাতে দিবে।

বিচারে দোষী যারা হবে, দোষী যারা হবে। ঐ